০৬:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বগুড়ার শাজাহানপুরে হিন্দু যুবকের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪০:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৬১১ বার পড়া হয়েছে

‎মিজানুর রহমান মিলন ,
স্টাফ রিপোর্টারঃ      

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাঝিরা ইউনিয়নের ডোমনপুকুর এলাকার এক হিন্দু যুবক স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। গত রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।

‎জানা গেছে, ধর্মান্তরের পূর্বে তার নাম ছিল শ্রী মদন কুমার। ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর তার নতুন নাম রাখা হয়েছে আব্দুল্লাহ। তিনি ডোমনপুকুর এলাকার শ্রী কালাচান-এর ছেলে।

‎ধর্মান্তরের বিষয়ে আব্দুল্লাহ বলেন, “আমি কারো প্ররোচনায় নয়, সম্পূর্ণ স্বজ্ঞানে ও স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছি। অনেক দিন ধরেই ইসলামের প্রতি আমার গভীর আকর্ষণ ছিল। বহু চিন্তা-ভাবনার পর আমি এই ধর্ম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিই।”

‎মাঝিরা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ধর্মান্তরের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয় স্থানীয় একটি মসজিদে, যেখানে একজন ইমাম উপস্থিত ছিলেন এবং ধর্মীয় নিয়ম অনুযায়ী সব কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

‎এই ঘটনাটি এলাকায় আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তা ছড়িয়ে পড়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নাচোল থানায় বৃক্ষ রোপণ করেন–পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস

বগুড়ার শাজাহানপুরে হিন্দু যুবকের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ

আপডেট সময় : ১২:৪০:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

‎মিজানুর রহমান মিলন ,
স্টাফ রিপোর্টারঃ      

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাঝিরা ইউনিয়নের ডোমনপুকুর এলাকার এক হিন্দু যুবক স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। গত রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।

‎জানা গেছে, ধর্মান্তরের পূর্বে তার নাম ছিল শ্রী মদন কুমার। ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর তার নতুন নাম রাখা হয়েছে আব্দুল্লাহ। তিনি ডোমনপুকুর এলাকার শ্রী কালাচান-এর ছেলে।

‎ধর্মান্তরের বিষয়ে আব্দুল্লাহ বলেন, “আমি কারো প্ররোচনায় নয়, সম্পূর্ণ স্বজ্ঞানে ও স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছি। অনেক দিন ধরেই ইসলামের প্রতি আমার গভীর আকর্ষণ ছিল। বহু চিন্তা-ভাবনার পর আমি এই ধর্ম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিই।”

‎মাঝিরা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ধর্মান্তরের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয় স্থানীয় একটি মসজিদে, যেখানে একজন ইমাম উপস্থিত ছিলেন এবং ধর্মীয় নিয়ম অনুযায়ী সব কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

‎এই ঘটনাটি এলাকায় আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তা ছড়িয়ে পড়েছে।