০৭:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৮৮ এসআইকে পুলিশের শূন্য পদে নিয়োগের নির্দেশ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২৫:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫
  • ৫৫৯ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

পুলিশের ৮৮ উপপরিদর্শককে (এসআই, নিরস্ত্র) শূন্য পদের বিপরীতে নিয়োগ দিতে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেন সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ-সংক্রান্ত রুল যথাযথ ঘোষণা করে গতকাল বুধবার এ রায় দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী বি এম ইলিয়াস, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মনিরুল ইসলাম মিয়া।

২০২৩ সালের ৩ মে পুলিশ নন-ক্যাডার এসআই (নিরস্ত্র) পদে জনবল নিয়োগ দিতে বিজ্ঞপ্তি দেয়। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্যে মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ শেষে একই বছরের ১৩ অক্টোবর ৫ হাজার ৩১ জন প্রার্থীর মধ্যে মাত্র ৯২১ জনকে নিয়োগ দিতে প্রাথমিকভাবে সুপারিশ করা হয়। পরে ওই বছরের ১৭ থেকে ২৩ অক্টোবর স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে ৮৫৭ জন চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। কিন্তু শারীরিক পরীক্ষা, লিখিত, মনস্তত্ত্ব পরীক্ষা ও কম্পিউটার টেস্টে অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হলেও ৯৮ জন প্রার্থীকে সুপারিশ করা হয়নি। এ পর্যায়ে সংক্ষুব্ধ মো. এখলাছ চৌধুরীসহ ৮৮ জন ২০২৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর হাইকোর্টে রিট করেন।

ওই রিটের শুনানি নিয়ে ২০২৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর হাইকোর্ট রুল জারি করেন। রিট চলা অবস্থায় গত ১ ফেব্রুয়ারি আবার শূন্যপদের বিপরীতে এসআই (নিরস্ত্র) নিয়োগের লক্ষ্যে চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে আবেদনপত্র আহ্বান করে পুলিশ। এর পর এসআই পদের ৮৮টি পদ সংরক্ষণের জন্য পুলিশ মহাপরিদর্শক বরাবরে আবেদন করেন রিটকারীরা। ওই আবেদন নিষ্পত্তি না করায় পুলিশের ৮৮টি এসআই (নিরস্ত্র) পদ সংরক্ষণ চেয়ে হাইকোর্টে একটি সম্পূরক আবেদনও করেন রিটকারীরা। তখন হাইকোর্ট নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত পদ থেকে ৮৮টি পদ সংরক্ষণের নির্দেশ দেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হকের সপ্তম মৃত্যু বার্ষিকী পালন

৮৮ এসআইকে পুলিশের শূন্য পদে নিয়োগের নির্দেশ

আপডেট সময় : ০৩:২৫:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক

পুলিশের ৮৮ উপপরিদর্শককে (এসআই, নিরস্ত্র) শূন্য পদের বিপরীতে নিয়োগ দিতে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেন সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ-সংক্রান্ত রুল যথাযথ ঘোষণা করে গতকাল বুধবার এ রায় দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী বি এম ইলিয়াস, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মনিরুল ইসলাম মিয়া।

২০২৩ সালের ৩ মে পুলিশ নন-ক্যাডার এসআই (নিরস্ত্র) পদে জনবল নিয়োগ দিতে বিজ্ঞপ্তি দেয়। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্যে মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ শেষে একই বছরের ১৩ অক্টোবর ৫ হাজার ৩১ জন প্রার্থীর মধ্যে মাত্র ৯২১ জনকে নিয়োগ দিতে প্রাথমিকভাবে সুপারিশ করা হয়। পরে ওই বছরের ১৭ থেকে ২৩ অক্টোবর স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে ৮৫৭ জন চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। কিন্তু শারীরিক পরীক্ষা, লিখিত, মনস্তত্ত্ব পরীক্ষা ও কম্পিউটার টেস্টে অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হলেও ৯৮ জন প্রার্থীকে সুপারিশ করা হয়নি। এ পর্যায়ে সংক্ষুব্ধ মো. এখলাছ চৌধুরীসহ ৮৮ জন ২০২৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর হাইকোর্টে রিট করেন।

ওই রিটের শুনানি নিয়ে ২০২৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর হাইকোর্ট রুল জারি করেন। রিট চলা অবস্থায় গত ১ ফেব্রুয়ারি আবার শূন্যপদের বিপরীতে এসআই (নিরস্ত্র) নিয়োগের লক্ষ্যে চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে আবেদনপত্র আহ্বান করে পুলিশ। এর পর এসআই পদের ৮৮টি পদ সংরক্ষণের জন্য পুলিশ মহাপরিদর্শক বরাবরে আবেদন করেন রিটকারীরা। ওই আবেদন নিষ্পত্তি না করায় পুলিশের ৮৮টি এসআই (নিরস্ত্র) পদ সংরক্ষণ চেয়ে হাইকোর্টে একটি সম্পূরক আবেদনও করেন রিটকারীরা। তখন হাইকোর্ট নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত পদ থেকে ৮৮টি পদ সংরক্ষণের নির্দেশ দেন।