০৩:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীর বাগমারার হাটগাঙ্গোপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক আকরাম আলীকে অপ্রত্যাশিত বদলির বিষয়টি খতিয়ে দেখার আহ্বান

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৩:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৫৮০ বার পড়া হয়েছে

রাজশহী জেলা প্রতিনিধি 

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার হাট গাঙ্গোপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ পরিদর্শক আকরাম আলীকে অপ্রত্যাশিতভাবে প্রশাসনিক কারণ দেখিয়ে আর আর এফ রাজশাহীতে সংযুক্ত করা হয়েছে। মাত্র দুই ঘন্টা সময়ের ব্যবধানে জরুরী ভিত্তিতে কেন তাকে  এমন আদেশ দেওয়া হয়েছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন হাট গাঙ্গোপাড়া এলাকার পাঁচ ইউনিয়নের  সুশীল সমাজ ও সাধারণ জনগণ। নাকি তাকে বদলি করার মাধ্যমে কোনো রকম ফায়দা লোটার সুযোগ কাজে লাগিয়েছে এলাকার প্রভাবশালী কোন মহল । এমন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে এলাকার সাধারণ মানুষের মনে। কেননা বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর সারা বাংলাদেশে অধিকাংশই থানা বা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কোন পুলিশ কর্মস্থলে যোগদান করেননি। এমন একটি ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে থেকেও পুলিশ পরিদর্শক আকরাম আলী অনেকটা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হাট গাঙ্গোপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে যোগদান করেন।যোগদানের পর থেকেই তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে মাদক ,চোরাকারবারি, মদ, গাঁজা, হিরোইন সেবনকারী এবং ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার করে এলাকায় অনেকটাই স্বস্তি ফিরিয়ে আনেন। 

যোগদানের পর পরই তার নভেম্বর ও ডিসেম্বর ২৪ মাসের সাফল্যের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, তিনি প্রায় চল্লিশ টি গুরুত্বপূর্ণ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণে চোলাইমদ, গাজা, হেরোইন, ইয়াবা, চোরাই মোটরসাইকেল এবং একটি প্রাইভেট কার গাড়ি সহ নগদ টাকা উদ্ধার করেন। তার সাফল্যের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে রাজশাহী জেলা পুলিশ তাকে পরপর দুইবার শ্রেষ্ঠ আইসি হিসেবে পুরস্কার প্রদান করেন।কিন্তু হঠাৎ করে গত ১৫ ই ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ পুলিশ রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয় কেশবপুর রাজশাহী থেকে অত্যন্ত জরুরী ভিত্তিতে একটি বদলির অফিস আদেশ পাঠানো হয়।এই অনাকাঙ্ক্ষিত বদলির জন্য এলাকায় নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। বদলি বিষয়ে আইসি আকরাম আলীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমি নিজেও জানিনা আমাকে কেন এভাবে বদলি করা হলো। তবে আমি অনুমান করছি আমার বিরুদ্ধে উপর মহলে মিথ্যা কোন অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয় নিয়ে এলাকার সুধী মহলের সাথে কথা বলে জানা গেছে, আইসি আকরাম আলী একজন সৎ এবং কর্তব্য কাজে দায়িত্বশীল ব্যক্তি ছিলেন।

 শুধু তাই নয় তার চাকুরী জীবনের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে তিনি ২০০৭ সালে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে ক্যাডেট সাব ইন্সপেক্টর পদে যোগদান করে অধ্যবধি পর্যন্ত অত্যন্ত সুনামের সাথে চাকরি করিয়া আসতেছেন, দুঃখজনক হলেও সত্য ২০১৭ সালে ইন্সপেক্টর হওয়ার পর হতে অদ্যবধি পর্যন্ত তাকে ওসি হিসেবে পদোন্নতি দেয়া হয় নাই। যাতে তিনি চরমভাবে বৈষম্যের শিকার হয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন আইসি আকরাম।

 তাকে বদলি করার ব্যাপারে তার বিরুদ্ধে যদি কোন অভিযোগ থেকে থাকে তা মোটেও সত্য নয়। বিধায় তাকে অতি দ্রুত স্বপদে বহাল করার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকার সুধি মহল এবং সাধারণ মানুষ।

ট্যাগস :

রাজশাহীতে র‍্যাবের অভিযানে ট্যাপেন্টাডল ও ইয়াবাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার​

রাজশাহীর বাগমারার হাটগাঙ্গোপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক আকরাম আলীকে অপ্রত্যাশিত বদলির বিষয়টি খতিয়ে দেখার আহ্বান

আপডেট সময় : ০৩:৩৩:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

রাজশহী জেলা প্রতিনিধি 

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার হাট গাঙ্গোপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ পরিদর্শক আকরাম আলীকে অপ্রত্যাশিতভাবে প্রশাসনিক কারণ দেখিয়ে আর আর এফ রাজশাহীতে সংযুক্ত করা হয়েছে। মাত্র দুই ঘন্টা সময়ের ব্যবধানে জরুরী ভিত্তিতে কেন তাকে  এমন আদেশ দেওয়া হয়েছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন হাট গাঙ্গোপাড়া এলাকার পাঁচ ইউনিয়নের  সুশীল সমাজ ও সাধারণ জনগণ। নাকি তাকে বদলি করার মাধ্যমে কোনো রকম ফায়দা লোটার সুযোগ কাজে লাগিয়েছে এলাকার প্রভাবশালী কোন মহল । এমন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে এলাকার সাধারণ মানুষের মনে। কেননা বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর সারা বাংলাদেশে অধিকাংশই থানা বা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কোন পুলিশ কর্মস্থলে যোগদান করেননি। এমন একটি ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে থেকেও পুলিশ পরিদর্শক আকরাম আলী অনেকটা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হাট গাঙ্গোপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে যোগদান করেন।যোগদানের পর থেকেই তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে মাদক ,চোরাকারবারি, মদ, গাঁজা, হিরোইন সেবনকারী এবং ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার করে এলাকায় অনেকটাই স্বস্তি ফিরিয়ে আনেন। 

যোগদানের পর পরই তার নভেম্বর ও ডিসেম্বর ২৪ মাসের সাফল্যের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, তিনি প্রায় চল্লিশ টি গুরুত্বপূর্ণ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণে চোলাইমদ, গাজা, হেরোইন, ইয়াবা, চোরাই মোটরসাইকেল এবং একটি প্রাইভেট কার গাড়ি সহ নগদ টাকা উদ্ধার করেন। তার সাফল্যের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে রাজশাহী জেলা পুলিশ তাকে পরপর দুইবার শ্রেষ্ঠ আইসি হিসেবে পুরস্কার প্রদান করেন।কিন্তু হঠাৎ করে গত ১৫ ই ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ পুলিশ রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয় কেশবপুর রাজশাহী থেকে অত্যন্ত জরুরী ভিত্তিতে একটি বদলির অফিস আদেশ পাঠানো হয়।এই অনাকাঙ্ক্ষিত বদলির জন্য এলাকায় নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। বদলি বিষয়ে আইসি আকরাম আলীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমি নিজেও জানিনা আমাকে কেন এভাবে বদলি করা হলো। তবে আমি অনুমান করছি আমার বিরুদ্ধে উপর মহলে মিথ্যা কোন অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয় নিয়ে এলাকার সুধী মহলের সাথে কথা বলে জানা গেছে, আইসি আকরাম আলী একজন সৎ এবং কর্তব্য কাজে দায়িত্বশীল ব্যক্তি ছিলেন।

 শুধু তাই নয় তার চাকুরী জীবনের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে তিনি ২০০৭ সালে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে ক্যাডেট সাব ইন্সপেক্টর পদে যোগদান করে অধ্যবধি পর্যন্ত অত্যন্ত সুনামের সাথে চাকরি করিয়া আসতেছেন, দুঃখজনক হলেও সত্য ২০১৭ সালে ইন্সপেক্টর হওয়ার পর হতে অদ্যবধি পর্যন্ত তাকে ওসি হিসেবে পদোন্নতি দেয়া হয় নাই। যাতে তিনি চরমভাবে বৈষম্যের শিকার হয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন আইসি আকরাম।

 তাকে বদলি করার ব্যাপারে তার বিরুদ্ধে যদি কোন অভিযোগ থেকে থাকে তা মোটেও সত্য নয়। বিধায় তাকে অতি দ্রুত স্বপদে বহাল করার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকার সুধি মহল এবং সাধারণ মানুষ।