০১:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পেঁয়াজের সরবরাহ ও দাম নিয়ে শঙ্কায়-সোনামসজিদ আমদানী-রপ্তানীকারক

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫৯:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫
  • ৫৪১ বার পড়া হয়েছে

ইমাম হাসান জুয়েল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ:
দেশের বাজারে পেঁয়াজের স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখতে আমদানির ক্ষেত্রে বর্তমান আইপি (ইমপোর্ট পারমিট) নীতি পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে সোনামসজিদ আমদানী ও রপ্তানীকারক গ্রুপ।
রবিবার দুপুরে সোনামসজিদ স্থলবন্দর আমদানী-রপ্তানীকারক গ্রুপের সভাপতি আলহাজ্ব মো. একরামুল হক
সাংবাদিকদের সাথে আলাপ কালে বলেন, সম্প্রতি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সীমিত পরিমাণে আইপি দিচ্ছে—কখনও ৫০ মেট্রিক টন, আবার কখনও ৩০ মেট্রিক টন। অথচ ভারত থেকে প্রতিটি ট্রাকে সাধারণত ২৫ থেকে ৩০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আসে। ফলে ৩০ মেট্রিক টনের আইপি দিলে এলসি, শুল্ক, সিএন্ডএফসহ অন্যান্য খরচ বেড়ে যাবে। এর প্রভাব সরাসরি বাজারে পড়বে এবং দাম অস্থিতিশীল হয়ে উঠবে।
তিনি আরও বলেন, আগের মতো উন্মুক্তভাবে আইপি দেওয়া হলে আমদানিকারকরা সুবিধা পাবেন, সময় ও খরচ সাশ্রয় হবে এবং বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

আমদানীকারক গ্রুপের নেতৃবৃন্দের দাবি, সীমিত আইপি বরাদ্দ অব্যাহত থাকলে অরাজকতা তৈরি হবে। কেউ আইপি পাবে, কেউ পাবে না—ফলে বাজারে সরবরাহ ব্যাহত হবে এবং ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ রানা, কোষাধ্যক্ষ নাজমুল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মাসুম বিল্লাহসহ কার্যনির্বাহী সদস্যবৃন্দ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুল ফিডিংয়ে খাবার খেয়ে অসুস্থ ২০ শিক্ষার্থী, অতঃপর সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ‘গাক’কে জরিমানা

পেঁয়াজের সরবরাহ ও দাম নিয়ে শঙ্কায়-সোনামসজিদ আমদানী-রপ্তানীকারক

আপডেট সময় : ০২:৫৯:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

ইমাম হাসান জুয়েল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ:
দেশের বাজারে পেঁয়াজের স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখতে আমদানির ক্ষেত্রে বর্তমান আইপি (ইমপোর্ট পারমিট) নীতি পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে সোনামসজিদ আমদানী ও রপ্তানীকারক গ্রুপ।
রবিবার দুপুরে সোনামসজিদ স্থলবন্দর আমদানী-রপ্তানীকারক গ্রুপের সভাপতি আলহাজ্ব মো. একরামুল হক
সাংবাদিকদের সাথে আলাপ কালে বলেন, সম্প্রতি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সীমিত পরিমাণে আইপি দিচ্ছে—কখনও ৫০ মেট্রিক টন, আবার কখনও ৩০ মেট্রিক টন। অথচ ভারত থেকে প্রতিটি ট্রাকে সাধারণত ২৫ থেকে ৩০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আসে। ফলে ৩০ মেট্রিক টনের আইপি দিলে এলসি, শুল্ক, সিএন্ডএফসহ অন্যান্য খরচ বেড়ে যাবে। এর প্রভাব সরাসরি বাজারে পড়বে এবং দাম অস্থিতিশীল হয়ে উঠবে।
তিনি আরও বলেন, আগের মতো উন্মুক্তভাবে আইপি দেওয়া হলে আমদানিকারকরা সুবিধা পাবেন, সময় ও খরচ সাশ্রয় হবে এবং বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

আমদানীকারক গ্রুপের নেতৃবৃন্দের দাবি, সীমিত আইপি বরাদ্দ অব্যাহত থাকলে অরাজকতা তৈরি হবে। কেউ আইপি পাবে, কেউ পাবে না—ফলে বাজারে সরবরাহ ব্যাহত হবে এবং ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ রানা, কোষাধ্যক্ষ নাজমুল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মাসুম বিল্লাহসহ কার্যনির্বাহী সদস্যবৃন্দ।