০৩:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোদাগাড়ীতে যুবলীগ নেতার দাপটে এলাকাবাসি অতিষ্ঠ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৬:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ অগাস্ট ২০২৫
  • ৫৬৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী গোদাগাড়ীর মাটিকাটা ইউনিয়নের (ইউপি) মহব্বতপুর গ্রামের জয়দুল ইসলামের পুত্র শরিফুল ইসলাম ছিলেন ইউপির ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি। গণঅভ্যুত্থানে  দেশে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়েছে।কিন্ত্ত এখানো এই যুবলীগ নেতার দাপটে অতিষ্ঠ রয়েছে এলাকার মানুষ।
স্থানীয়রা জানান, জয়দুল ইসলাম ও তার পুত্র যুবলীগ নেতা শরিফুল ইসলাম তারা বাপ-বেটা সিন্ডিকেট করে এলাকার খাস পুকুর দখল,খাস জমি বিক্রি ও কথিত মাজারে মাদক সেবনের আসর বসিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এদিকে মাজারে এসব অসামাজিক কার্যকলাপের প্রতিবাদ করায় উল্টো ইউপি সদস্য মেম্বার উকিল আলীকে আওয়ামী ট্যাগ দিয়ে তার বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার ও হয়রানি করা হচ্ছে।অথচ আওয়ামী লীগের সঙ্গে উকিল আলীর কোনো সম্পৃক্ততা নাই। তাকে ফাঁসানোর জন্য তার বিরুদ্ধে এসব করা হচ্ছে।অন্যদিকে
মাজারে গাঁজা সেবন বন্ধ ও মাজারের হিসেবে চাওয়ায় নবাব আলী নামের একজনকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে। গ্রামবাসি জানান,মাছমারা মোড়ে ভান্ডারী দরবার শরিফ নামে একটি মাজার রয়েছে।দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর মাজার নিয়ন্ত্রণ করেন যুবলীগ নেতা শরিফুল। প্রতি বছর মাজরে ওরশ অনুষ্ঠিত হয়। এসব ওরশে অনুদান হিসেবে কমপক্ষে দু’লাখ টাকা 
গত ২৩ জুলাই গভীর রাতে যুবলীগ নেতা শরিফুল ইসলামের ইন্ধনে জয়দুল, ওলিউল,,বনো রবিউল ও সাগরসহ বেশ কয়েকজন মিলে নবাব আলীকে বেধড়ক মারপিট করে গুরুতর জখম করেছে।
জানা গেছে, মাটিকাটা ইউপির মহব্বতপুর মৌজায়, এক নম্বর খতিয়ানভুক্ত ৩০, ৩২ ও ৩৩ নম্বর দাগে ৮১ শতক সরকারি খাস জমি রয়েছে। জয়দুল ও তার পুত্র যুবলীগ নেতা শরিফুল সিন্ডিকেট করে বিভিন্ন মানুষের কাছে এসব জমির পজিশন বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।এছাড়াও সুগনা দীঘি এক নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত ২ নম্বর দাগে ১৫ কাঠা জমি বিক্রি করে জয়দুল কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

এবিষয়ে জানতে চাইলে গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল আহম্মেদ বলেন, এমন অভিযোগ তার কাছে আসেনি।তিনি বলেন,অভিযোগ হলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে।

এবিষয়ে জানতে চাইলে ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ওই জমি দুই নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত  বিনিময় মুলে কয়েকজনকে পজিশন দেয়া হয়েছে,এর সঙ্গে নয়মুদ্দিনও সম্পৃক্ত রয়েছে,এখন তাকে ফাঁসানোর জন্য তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আনা হচ্ছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নাচোল থানায় বৃক্ষ রোপণ করেন–পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস

গোদাগাড়ীতে যুবলীগ নেতার দাপটে এলাকাবাসি অতিষ্ঠ

আপডেট সময় : ০৫:৫৬:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ অগাস্ট ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী গোদাগাড়ীর মাটিকাটা ইউনিয়নের (ইউপি) মহব্বতপুর গ্রামের জয়দুল ইসলামের পুত্র শরিফুল ইসলাম ছিলেন ইউপির ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি। গণঅভ্যুত্থানে  দেশে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়েছে।কিন্ত্ত এখানো এই যুবলীগ নেতার দাপটে অতিষ্ঠ রয়েছে এলাকার মানুষ।
স্থানীয়রা জানান, জয়দুল ইসলাম ও তার পুত্র যুবলীগ নেতা শরিফুল ইসলাম তারা বাপ-বেটা সিন্ডিকেট করে এলাকার খাস পুকুর দখল,খাস জমি বিক্রি ও কথিত মাজারে মাদক সেবনের আসর বসিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এদিকে মাজারে এসব অসামাজিক কার্যকলাপের প্রতিবাদ করায় উল্টো ইউপি সদস্য মেম্বার উকিল আলীকে আওয়ামী ট্যাগ দিয়ে তার বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার ও হয়রানি করা হচ্ছে।অথচ আওয়ামী লীগের সঙ্গে উকিল আলীর কোনো সম্পৃক্ততা নাই। তাকে ফাঁসানোর জন্য তার বিরুদ্ধে এসব করা হচ্ছে।অন্যদিকে
মাজারে গাঁজা সেবন বন্ধ ও মাজারের হিসেবে চাওয়ায় নবাব আলী নামের একজনকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে। গ্রামবাসি জানান,মাছমারা মোড়ে ভান্ডারী দরবার শরিফ নামে একটি মাজার রয়েছে।দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর মাজার নিয়ন্ত্রণ করেন যুবলীগ নেতা শরিফুল। প্রতি বছর মাজরে ওরশ অনুষ্ঠিত হয়। এসব ওরশে অনুদান হিসেবে কমপক্ষে দু’লাখ টাকা 
গত ২৩ জুলাই গভীর রাতে যুবলীগ নেতা শরিফুল ইসলামের ইন্ধনে জয়দুল, ওলিউল,,বনো রবিউল ও সাগরসহ বেশ কয়েকজন মিলে নবাব আলীকে বেধড়ক মারপিট করে গুরুতর জখম করেছে।
জানা গেছে, মাটিকাটা ইউপির মহব্বতপুর মৌজায়, এক নম্বর খতিয়ানভুক্ত ৩০, ৩২ ও ৩৩ নম্বর দাগে ৮১ শতক সরকারি খাস জমি রয়েছে। জয়দুল ও তার পুত্র যুবলীগ নেতা শরিফুল সিন্ডিকেট করে বিভিন্ন মানুষের কাছে এসব জমির পজিশন বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।এছাড়াও সুগনা দীঘি এক নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত ২ নম্বর দাগে ১৫ কাঠা জমি বিক্রি করে জয়দুল কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

এবিষয়ে জানতে চাইলে গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল আহম্মেদ বলেন, এমন অভিযোগ তার কাছে আসেনি।তিনি বলেন,অভিযোগ হলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে।

এবিষয়ে জানতে চাইলে ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ওই জমি দুই নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত  বিনিময় মুলে কয়েকজনকে পজিশন দেয়া হয়েছে,এর সঙ্গে নয়মুদ্দিনও সম্পৃক্ত রয়েছে,এখন তাকে ফাঁসানোর জন্য তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আনা হচ্ছে।