০৯:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তানোরে বর্ণাঢ্য র‍্যালী দিয়ে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন 

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০৯:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫১০ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজশাহীর তানোরে নানা আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করা হয়েছে। এ-উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার বিকেলের দিকে উপজেলা ও পৌর বিএনপির আয়োজনে বিশাল র‍্যালী বের হয়। গোল্লাপাড়া বাজারস্থ বরেন্দ্র ভবন সংলগ্ন দলীয় কার্যালয় থেকে র‍্যালী বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদিক্ষন শেষে দলীয় কার্যালয়ের সামনে সংক্ষিপ্ত  আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শামসুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য তানোর পৌরসভার সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজান। তিনি বলেন, আজ থেকে ৪৮ বছর আগে ১৯৭৮ সালে দেশের ক্লান্তিলগ্নে বাংলার রাখাল রাজা হিসেবে পরিচিত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর ১৯৮১ সালে বিপদগামী সেনা সদস্যরা তাকে শহীদ করেন। তাকে শহীদ করে মনে করেছিল বিএনপি নামক দল আর এদেশে থাকবে না। কিন্তু বিএনপি ছিল মা মানুষের দল। গণ মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে ছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তিনি বাকশাল ধ্বংস করে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তার মৃত্যুর পর দলের হাল ধরেন আপোষ হীন নেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া। এক দশক স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে আপমর বাংলার গনতন্ত্র কামী জনতার আস্থা ভাজন নেত্রী হিসেবে পরিচিত লাভ করেন। ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে নানা প্রলোভন দিয়ে বেগম জিয়াকে ওই এক তরফা নির্বাচনে নিয়ে যেতে পারেননি। অথচ অনেকেই ওই নির্বাচনে না যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে রক্ষা করেনি। ওই নির্বাচনে না যাওয়ার কারনে স্বৈরাচার এরশাদের পতনের পর ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বাংলার ইতিহাসে প্রথমবারের মত নারী প্রধানমন্ত্রী হন বেগম জিয়া। বিগত স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের আমলে নানা ভাবে   নির্যাতন করেও বেগম জিয়াকে পরাজিত করা যায়নি। অবশেষে গনতন্ত্রের বিজয় হয়েছে। আমরা জিয়ার আদর্শের সৈনিক। জিয়ার সৈনিক রা পরাজিত না, তারা বিজয়ী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সরনজাই ইউপির চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক খান, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক প্রভাষক নুরুল ইসলাম, মুন্ডুমালা পৌর বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব মোজাম্মেল হক, সদস্য সচিব সাবেক কাউন্সিলর আতাউর রহমান, উপজেলা বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম, তানোর পৌরসভার সাবেক সম্পাদক আলহাজ্ব আরশাদ আলী, ওমর আলী, উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি মিনারা খাতুন পলি, পৌর সদস্য সচিব আব্দুস সবুর, সাংগঠনিক সম্পাদক তোফাজ্জুল হোসেন তোফা, ইয়াসিন আলী, যুগ্ম আহবায়ক আলতাব হোসেন, উপজেলা যুবদলের নেতা শরিয়তুল্লাহ, উপজেলা কৃষক দলের আহবায়ক নাসির উদ্দিন মিঠু, কলমা ইউপি সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, পাচন্দর ইউপি সভাপতি সহকারী অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, তালন্দ ইউপি সভাপতি শামসুদ্দিন, চান্দুড়িয়া ইউপির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন, উপজেলা ছাত্র দলের সদস্য সচিব মোতালেব হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক শহিদুল ইসলাম, পৌর যুবদলের আহবায়ক সাইদুর রহমান, সদস্য সচিব জহুরুল ইসলাম, যুবদল নেতা নজরুল ইসলাম, ওয়ার্ড সভাপতি শমসের আলী, কোরবান, বাসারত প্রমুখ। এসময় উপজেলার সাত ইউনিয়ন ও দুই পৌরসভার বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

তানোরে বর্ণাঢ্য র‍্যালী দিয়ে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন 

তানোরে বর্ণাঢ্য র‍্যালী দিয়ে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন 

আপডেট সময় : ০৩:০৯:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজশাহীর তানোরে নানা আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করা হয়েছে। এ-উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার বিকেলের দিকে উপজেলা ও পৌর বিএনপির আয়োজনে বিশাল র‍্যালী বের হয়। গোল্লাপাড়া বাজারস্থ বরেন্দ্র ভবন সংলগ্ন দলীয় কার্যালয় থেকে র‍্যালী বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদিক্ষন শেষে দলীয় কার্যালয়ের সামনে সংক্ষিপ্ত  আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শামসুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য তানোর পৌরসভার সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজান। তিনি বলেন, আজ থেকে ৪৮ বছর আগে ১৯৭৮ সালে দেশের ক্লান্তিলগ্নে বাংলার রাখাল রাজা হিসেবে পরিচিত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর ১৯৮১ সালে বিপদগামী সেনা সদস্যরা তাকে শহীদ করেন। তাকে শহীদ করে মনে করেছিল বিএনপি নামক দল আর এদেশে থাকবে না। কিন্তু বিএনপি ছিল মা মানুষের দল। গণ মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে ছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তিনি বাকশাল ধ্বংস করে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তার মৃত্যুর পর দলের হাল ধরেন আপোষ হীন নেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া। এক দশক স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে আপমর বাংলার গনতন্ত্র কামী জনতার আস্থা ভাজন নেত্রী হিসেবে পরিচিত লাভ করেন। ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে নানা প্রলোভন দিয়ে বেগম জিয়াকে ওই এক তরফা নির্বাচনে নিয়ে যেতে পারেননি। অথচ অনেকেই ওই নির্বাচনে না যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে রক্ষা করেনি। ওই নির্বাচনে না যাওয়ার কারনে স্বৈরাচার এরশাদের পতনের পর ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বাংলার ইতিহাসে প্রথমবারের মত নারী প্রধানমন্ত্রী হন বেগম জিয়া। বিগত স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের আমলে নানা ভাবে   নির্যাতন করেও বেগম জিয়াকে পরাজিত করা যায়নি। অবশেষে গনতন্ত্রের বিজয় হয়েছে। আমরা জিয়ার আদর্শের সৈনিক। জিয়ার সৈনিক রা পরাজিত না, তারা বিজয়ী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সরনজাই ইউপির চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক খান, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক প্রভাষক নুরুল ইসলাম, মুন্ডুমালা পৌর বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব মোজাম্মেল হক, সদস্য সচিব সাবেক কাউন্সিলর আতাউর রহমান, উপজেলা বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম, তানোর পৌরসভার সাবেক সম্পাদক আলহাজ্ব আরশাদ আলী, ওমর আলী, উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি মিনারা খাতুন পলি, পৌর সদস্য সচিব আব্দুস সবুর, সাংগঠনিক সম্পাদক তোফাজ্জুল হোসেন তোফা, ইয়াসিন আলী, যুগ্ম আহবায়ক আলতাব হোসেন, উপজেলা যুবদলের নেতা শরিয়তুল্লাহ, উপজেলা কৃষক দলের আহবায়ক নাসির উদ্দিন মিঠু, কলমা ইউপি সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, পাচন্দর ইউপি সভাপতি সহকারী অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, তালন্দ ইউপি সভাপতি শামসুদ্দিন, চান্দুড়িয়া ইউপির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন, উপজেলা ছাত্র দলের সদস্য সচিব মোতালেব হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক শহিদুল ইসলাম, পৌর যুবদলের আহবায়ক সাইদুর রহমান, সদস্য সচিব জহুরুল ইসলাম, যুবদল নেতা নজরুল ইসলাম, ওয়ার্ড সভাপতি শমসের আলী, কোরবান, বাসারত প্রমুখ। এসময় উপজেলার সাত ইউনিয়ন ও দুই পৌরসভার বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।