০৬:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সোনামসজিদ স্থলবন্দর থেকে ছোলা ও ডাল আমদানি অনুমদন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২৫:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫০১ বার পড়া হয়েছে

ইমাম হাসান জুয়েল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ:
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে রমজান মাসকে সামনে রেখে বিপুল পরিমাণ ছোলা ও বিভিন্ন প্রকার ডাল আমদানি করার অনুমতি দিয়েছে সরকার।
এতে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বন্দরটির উদ্ভিদ সংরক্ষণ কেন্দ্রের উপ-পরিচালক সমীর চন্দ্র ঘোষ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার পর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, রমজান মাসে খাদ্যপণ্যের চাহিদা সাধারণ সময়ের তুলনায় অনেক বেশি বেড়ে যায়। বিশেষ করে ইফতারের প্রধান উপাদান ছোলা এবং বিভিন্ন ডালের চাহিদা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পায়।
এই পরিস্থিতিতে আগাম প্রস্তুতির অংশ হিসেবে পর্যাপ্ত পরিমাণ খাদ্যপণ্য আমদানি করতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যাতে বাজারে কোনো ঘাটতি বা অস্থিরতা দেখা না দেয়।
সূত্রে জানা গেছে, সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে মোট ১,৫২৬ মেট্রিক টন ছোলা, ১,৬০০ মেট্রিক টন মসুর ডাল এবং ২০০ মেট্রিক টন মাষকলাই আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। চলতি ফেব্রুয়ারির মধ্যেই এসব খাদ্যপণ্য দেশে পৌঁছানোর আশা করা হচ্ছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, সময়মতো আমদানি সম্পন্ন হলে রমজান মাসে বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে এবং ভোক্তারা স্বস্তিতে উপকৃত হবেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সোনামসজিদ স্থলবন্দর থেকে ছোলা ও ডাল আমদানি অনুমদন

সোনামসজিদ স্থলবন্দর থেকে ছোলা ও ডাল আমদানি অনুমদন

আপডেট সময় : ১২:২৫:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইমাম হাসান জুয়েল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ:
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে রমজান মাসকে সামনে রেখে বিপুল পরিমাণ ছোলা ও বিভিন্ন প্রকার ডাল আমদানি করার অনুমতি দিয়েছে সরকার।
এতে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বন্দরটির উদ্ভিদ সংরক্ষণ কেন্দ্রের উপ-পরিচালক সমীর চন্দ্র ঘোষ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার পর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, রমজান মাসে খাদ্যপণ্যের চাহিদা সাধারণ সময়ের তুলনায় অনেক বেশি বেড়ে যায়। বিশেষ করে ইফতারের প্রধান উপাদান ছোলা এবং বিভিন্ন ডালের চাহিদা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পায়।
এই পরিস্থিতিতে আগাম প্রস্তুতির অংশ হিসেবে পর্যাপ্ত পরিমাণ খাদ্যপণ্য আমদানি করতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যাতে বাজারে কোনো ঘাটতি বা অস্থিরতা দেখা না দেয়।
সূত্রে জানা গেছে, সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে মোট ১,৫২৬ মেট্রিক টন ছোলা, ১,৬০০ মেট্রিক টন মসুর ডাল এবং ২০০ মেট্রিক টন মাষকলাই আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। চলতি ফেব্রুয়ারির মধ্যেই এসব খাদ্যপণ্য দেশে পৌঁছানোর আশা করা হচ্ছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, সময়মতো আমদানি সম্পন্ন হলে রমজান মাসে বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে এবং ভোক্তারা স্বস্তিতে উপকৃত হবেন।