নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজশাহী তানোরে অবস্থিত বরেন্দ্র কেবল টিভি নেটওয়ার্কে হামলা ও ভাঙচুর ক্ষতির পরিমাণ অনুমানিক ১ কোটি টাকা বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।
চলতি মাসের ২১ মার্চ শনিবার পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিনে তানোরে ঘটে গেলো একটি নতুন ইতিহাস। ঈদের নামাজ শেষে সবাই যখন নিজ নিজ বাসায় পরিবার-পরিজন নিয়ে সময় কাটাচ্ছিলেন ঠিক তখনি
কল্পিতভাবে তানোর গোল্লাপাড়া বাজারে অবস্থিত বরেন্দ্র কেবল টিভি নেটওয়ার্কে হামলা ও ভাঙচুর
চালান তানোর (সদর) কুঠিপাড়া গ্রামের খাজেমের ছেলে হাসান (২৫) হাতে রাম দা,হাতুড়ী,কাটার প্লাস ও রেঞ্জ নিয়ে বরেন্দ্র টিভি কেবলের (৪ তলা) বিল্ডিং এর মেন গেট ও ৪ তলায় থাকা কন্ট্রোল রুমের গ্লাস ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে বিভিন্ন (সার্ভার) এসি, বিভিন্ন ডিভাইসে হামলা ও ভাঙচুর চালাই,পরে স্হানীয় জনসাধারণ”ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনা স্থলে পৌঁছায় পরে হামলাকারী হাসানকে পুলিশ আটক করেন।
এ বিষয়ে বরেন্দ্র টিভি কেবলের মালিক মিজানুর রহমান মিজান বলেন, ঈদের নামাজ শেষে বাসায় ছিলাম আমার কর্মচারীরাও সবাই ছুটিতে ছিল,স্থানীয় মানুষ আমাকে মুঠোফোনে এ বিষয়টি জানান আমি ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখি সে আমার অফিসে তান্ডব চালাচ্ছে। পরে স্থানীয় মানুষ তাকে আটকানোর চেষ্টা করে এতে একজন আহত হয়েছে। এটা পুরোটাই আমাকে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল করার জন্য পরিকল্পিতভাবে হামলাকারী হাসানকে দিয়ে এই তান্ডব চালিয়েছে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল পুলিশ প্রশাসন সুষ্ঠু তদন্ত করে। এ ঘটনার মূল মাস্টারমাইন ও নির্দেশ দাতাকে খুঁজে বের করে। শাস্তির আওতায় আনবেন এটাই আমার প্রত্যাশা। পাশাপাশি আমাদের গ্রাহকদের কাছে আন্তরিক দুঃখিত প্রকাশ করছি খুব দ্রুত আবারও সংযোগ চালু করা হবে।
এ বিষয়ে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ এসএম মাসুদ পারভেজ বলেন,ঈদের দিনে এমন ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যাচ্ছে এটা পরিকল্পিতভাবে ঘটনাটি ঘটিয়েছে পাশাপাশি একজনের নামও বলেছে সে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি তদন্তর কাজ চলছে পাশাপাশি মামলার প্রস্তুতি চলছে।
তবে স্থানীয় জনসাধারণের সাথে কথা বলে জানা গেছে, হামলাকারী হাসানকে টাকা দিয়ে এমন ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তানোর বরেন্দ্র কেবল টিভি নেটওয়ার্কের মালিক সাবেক মেয়র, রাজশাহী জেলা বিএনপির সদস্য ও তানোর উপজেলা বিএনপির মূল শক্তি তাকে রাজনীতিক ও অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল করার জন্যই প্রতিপক্ষ এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে বলে ধারণা করছেন তারা ।
উল্লেখ্য : তানোর, নাচল,মান্দা, গোদাগাড়ী ও মোহনপুর উপজেলার প্রায় ৬০ হাজার বরেন্দ্র কেবল টিভি নেটওয়ার্কের গ্রাহক রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

















