০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তানোরে শীর্ষ ৫ পদসহ শতাধীক পদের দায়িত্বে ইউএনও নাঈমা খান

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজশাহীর তানোর উপজেলার শীর্ষ ৫ পদসহ শতাধীক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন তানোর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাঈমা খান। শীর্ষ পদ গুলোর মধ্যে রয়েছে তার নিজের পদ তানোর উপজেলা নির্বাহী অফিসার, অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন উপজেলা পরিষদ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্বে, সহকারী কমিশনার (ভূমি) (এসিল্যান্ডের) দায়িত্বে, মুন্ডমালা পৌর সভার মেয়রের দায়িত্বে (প্রশাসক) ও তানোর পৌর সভার মেয়রের দায়িত্বে (প্রশাসক)। এই শীর্ষ ৫টি পদসহ উপজেলার শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন তিনি।

গত বৃহস্পতিবার তানোর সহকারী কমিশনার ভূমি প্রশিক্ষনে ঢাকায় যাওয়ার সময় সহকারী কমিশনার ভূমি ও মুন্ডমালা পৌর প্রশাসকের দায়িত্ব হস্তান্তর করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাঈমা খানের কাছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার গণ অভ্যর্থনের পর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও তানোর এবং মুন্ডমালা এই দুই পৌরসভার মেয়রদের অপসারনের পর থেকে তানোর পৌর সভা ও উপজেলা পরিষদ প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার। অপর দিকে মুন্ডমালা পৌর সভার প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করছেন তানোর সহকারী কমিশনার (ভূমি)।

অপর দিকে তিনি উপজেলার স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাসহ প্রায় সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন তিনি। তবে, দায়িত্ব বাড়ার সাথে সাথে ব্যাপক কর্মব্যস্ততার মধ্য দিয়েই সকল দায়িত্বই পালনে প্রচুর ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। নিজ দপ্তরসহ তানোর পৌর সভার কর্মকর্তা কর্মচারীসহ সেবা গ্রহীতাদের কাছে মিষ্টি ভাষী, কঠোর পরিশ্রমী, নিষ্ঠাবান ও সৎ অফিসার হিসেবে নিজের অবস্থান ও সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হওয়া এই অফিসার নিজ দপ্তর থেকে তিনি দায়িত্ব পাওয়া দপ্তর গুলোর কাজ সিরিয়াল অনুযায়ী করছেন বলেও সেবা গ্রহীতারা।

তানোর ইউএনও অফিসের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার সর্তে বলেন, ইউএনও মহাদয়, নিষ্ঠাবান ও একজন সৎ মানুষ এবং কাজগুলো খুব ভালো বুঝেন। অঝথা কোন সেবা গ্রহীতাকে হয়রানি করা পছন্দ করেন না। এমন অফিসার পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার বলেও জানান তিনি। তানোর পৌর সভার এক কর্মকর্তা বলেন, যেকোন কাজে কাউকেই অঝথা হয়রানি করেন না এবং কঠোর পরিশ্রমি একজন অফিসার নাঈমা খান।

গত রোববার দুপুরে তানোর উপজেলা নির্বাহী অফিসে গিয়ে দেখা গেছে, বিভিন্ন কাজে আসা লোকদের সেবা প্রদান করছেন। অফিসের কাজের পাশাপাশি বিভিন্ন কাজে আসা লোকদের সাথেও খুব সুন্দর ভাবে কথা বলে তাদের কাজ করে দিচ্ছেন সিরিয়াল অনুযায়ী। এসময় তানোর পৌর সভার এক কর্মকর্তা ও কর্মচারীর ফাইল দেখে কাজ করে দিলেন। এসময় আরো বেশ কিছু লোক কক্ষের গেট থেকে বাইরের বারান্দায় অপেক্ষা করছেন ইউএনও’র সাথে দেখা করার জন্য।

এক সেবা গ্রহীতা বলেন, উনার কাছে কোন কাজে গেলে উনি (ইউএনও) সবার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেন এবং কাজ হোক আর না হোক সুন্দর ভাবে কথা বলেন। সব মিলিয়ে নিষ্ঠা ও সততার সাথে নিজের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। তানোর উপজেলায় কলেজ রয়েছে ১৪টি, মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৭৬টি মাদ্রাসা রয়েছে ২৮টি এবং প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ১শ’ ২৮টি।

তানোর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাঈমা খান বলেন, সরকারী অর্পিত দায়িত্ব পালনে সর্বদা প্রস্তুত রয়েছি, অনেক গুলো দপ্তরের দায়িত্বভার পড়ায় পরিশ্রম একটু বেশি করতে হচ্ছে। তবে, সিরিয়াল অনুযায়ী কাজ করলে সমস্যা হবেনা বলেও জানান তিনি।

ট্যাগস :

তানোরে শীর্ষ ৫ পদসহ শতাধীক পদের দায়িত্বে ইউএনও নাঈমা খান

তানোরে শীর্ষ ৫ পদসহ শতাধীক পদের দায়িত্বে ইউএনও নাঈমা খান

আপডেট সময় : ০৩:১০:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজশাহীর তানোর উপজেলার শীর্ষ ৫ পদসহ শতাধীক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন তানোর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাঈমা খান। শীর্ষ পদ গুলোর মধ্যে রয়েছে তার নিজের পদ তানোর উপজেলা নির্বাহী অফিসার, অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন উপজেলা পরিষদ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্বে, সহকারী কমিশনার (ভূমি) (এসিল্যান্ডের) দায়িত্বে, মুন্ডমালা পৌর সভার মেয়রের দায়িত্বে (প্রশাসক) ও তানোর পৌর সভার মেয়রের দায়িত্বে (প্রশাসক)। এই শীর্ষ ৫টি পদসহ উপজেলার শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন তিনি।

গত বৃহস্পতিবার তানোর সহকারী কমিশনার ভূমি প্রশিক্ষনে ঢাকায় যাওয়ার সময় সহকারী কমিশনার ভূমি ও মুন্ডমালা পৌর প্রশাসকের দায়িত্ব হস্তান্তর করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাঈমা খানের কাছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার গণ অভ্যর্থনের পর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও তানোর এবং মুন্ডমালা এই দুই পৌরসভার মেয়রদের অপসারনের পর থেকে তানোর পৌর সভা ও উপজেলা পরিষদ প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার। অপর দিকে মুন্ডমালা পৌর সভার প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করছেন তানোর সহকারী কমিশনার (ভূমি)।

অপর দিকে তিনি উপজেলার স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাসহ প্রায় সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন তিনি। তবে, দায়িত্ব বাড়ার সাথে সাথে ব্যাপক কর্মব্যস্ততার মধ্য দিয়েই সকল দায়িত্বই পালনে প্রচুর ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। নিজ দপ্তরসহ তানোর পৌর সভার কর্মকর্তা কর্মচারীসহ সেবা গ্রহীতাদের কাছে মিষ্টি ভাষী, কঠোর পরিশ্রমী, নিষ্ঠাবান ও সৎ অফিসার হিসেবে নিজের অবস্থান ও সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হওয়া এই অফিসার নিজ দপ্তর থেকে তিনি দায়িত্ব পাওয়া দপ্তর গুলোর কাজ সিরিয়াল অনুযায়ী করছেন বলেও সেবা গ্রহীতারা।

তানোর ইউএনও অফিসের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার সর্তে বলেন, ইউএনও মহাদয়, নিষ্ঠাবান ও একজন সৎ মানুষ এবং কাজগুলো খুব ভালো বুঝেন। অঝথা কোন সেবা গ্রহীতাকে হয়রানি করা পছন্দ করেন না। এমন অফিসার পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার বলেও জানান তিনি। তানোর পৌর সভার এক কর্মকর্তা বলেন, যেকোন কাজে কাউকেই অঝথা হয়রানি করেন না এবং কঠোর পরিশ্রমি একজন অফিসার নাঈমা খান।

গত রোববার দুপুরে তানোর উপজেলা নির্বাহী অফিসে গিয়ে দেখা গেছে, বিভিন্ন কাজে আসা লোকদের সেবা প্রদান করছেন। অফিসের কাজের পাশাপাশি বিভিন্ন কাজে আসা লোকদের সাথেও খুব সুন্দর ভাবে কথা বলে তাদের কাজ করে দিচ্ছেন সিরিয়াল অনুযায়ী। এসময় তানোর পৌর সভার এক কর্মকর্তা ও কর্মচারীর ফাইল দেখে কাজ করে দিলেন। এসময় আরো বেশ কিছু লোক কক্ষের গেট থেকে বাইরের বারান্দায় অপেক্ষা করছেন ইউএনও’র সাথে দেখা করার জন্য।

এক সেবা গ্রহীতা বলেন, উনার কাছে কোন কাজে গেলে উনি (ইউএনও) সবার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেন এবং কাজ হোক আর না হোক সুন্দর ভাবে কথা বলেন। সব মিলিয়ে নিষ্ঠা ও সততার সাথে নিজের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। তানোর উপজেলায় কলেজ রয়েছে ১৪টি, মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৭৬টি মাদ্রাসা রয়েছে ২৮টি এবং প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ১শ’ ২৮টি।

তানোর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাঈমা খান বলেন, সরকারী অর্পিত দায়িত্ব পালনে সর্বদা প্রস্তুত রয়েছি, অনেক গুলো দপ্তরের দায়িত্বভার পড়ায় পরিশ্রম একটু বেশি করতে হচ্ছে। তবে, সিরিয়াল অনুযায়ী কাজ করলে সমস্যা হবেনা বলেও জানান তিনি।