০২:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তানোরে ২৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও সন্ধান মিলেনি শিশু সাজিদের

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২৫:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬৪২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজশাহীর তানোর উপজেলার পাঁচন্দর ইউপির কোয়েলহাট এলাকায় গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যাওয়া দুই বছরের শিশু সাজিদকে উদ্ধারে ২৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও কোনো সন্ধান মেলেনি। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ২টা পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা গর্তের ৪২ ফুট গভীর পর্যন্ত অনুসন্ধান চালিয়েও শিশুটিকে খুঁজে পাননি। ফলে নতুন করে আরও গভীর পর্যন্ত খনন করার সিদ্ধান্ত নেন তারা।

ঘটনাটি ঘটে বুধবার দুপুরে। শিশুটির মা ফসলি জমি দিয়ে যাচ্ছিলেন পিছন পিছন হেঁটে আসছিলো শিশু সাজিদ এ সময় সাজিদ হঠাৎ অসাবধানতাবশত নলকূপের জন্য খোঁড়া সরু ও গভীর গর্তে পড়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।

উদ্ধারের সার্বিক তদারকির পাশাপাশি ঘটনাস্থলে অবস্থান করছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাইমা খান। তিনি বলেন,ঘটনার শুরু থেকেই আমরা বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা নিরবচ্ছিন্নভাবে উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল শিশুটি ৩০/৩৫ ফুটের মধ্যে আটকে আছে। কিন্তু ৪২ ফুট পর্যন্ত গিয়েও কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। শিশুটিকে উদ্ধারের জন্য আরও গভীরে খননের কাজ চলছে। আমরা সবার দোয়া কামনা করছি।

শিশুটিকে জীবিত উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরাও অব্যাহতভাবে সহায়তা করছেন। এলাকাজুড়ে উদ্বেগ উৎকণ্ঠার মধ্যে সবাই অপেক্ষা করছে সাজিদের সুসংবাদের জন্য। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

গোদাগাড়ীতে অসহায় প্রতিবন্ধী বিধবার জমি দখলের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ প্রতিকারহীন ভুক্তভোগী

তানোরে ২৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও সন্ধান মিলেনি শিশু সাজিদের

আপডেট সময় : ১২:২৫:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজশাহীর তানোর উপজেলার পাঁচন্দর ইউপির কোয়েলহাট এলাকায় গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যাওয়া দুই বছরের শিশু সাজিদকে উদ্ধারে ২৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও কোনো সন্ধান মেলেনি। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ২টা পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা গর্তের ৪২ ফুট গভীর পর্যন্ত অনুসন্ধান চালিয়েও শিশুটিকে খুঁজে পাননি। ফলে নতুন করে আরও গভীর পর্যন্ত খনন করার সিদ্ধান্ত নেন তারা।

ঘটনাটি ঘটে বুধবার দুপুরে। শিশুটির মা ফসলি জমি দিয়ে যাচ্ছিলেন পিছন পিছন হেঁটে আসছিলো শিশু সাজিদ এ সময় সাজিদ হঠাৎ অসাবধানতাবশত নলকূপের জন্য খোঁড়া সরু ও গভীর গর্তে পড়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।

উদ্ধারের সার্বিক তদারকির পাশাপাশি ঘটনাস্থলে অবস্থান করছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাইমা খান। তিনি বলেন,ঘটনার শুরু থেকেই আমরা বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা নিরবচ্ছিন্নভাবে উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল শিশুটি ৩০/৩৫ ফুটের মধ্যে আটকে আছে। কিন্তু ৪২ ফুট পর্যন্ত গিয়েও কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। শিশুটিকে উদ্ধারের জন্য আরও গভীরে খননের কাজ চলছে। আমরা সবার দোয়া কামনা করছি।

শিশুটিকে জীবিত উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরাও অব্যাহতভাবে সহায়তা করছেন। এলাকাজুড়ে উদ্বেগ উৎকণ্ঠার মধ্যে সবাই অপেক্ষা করছে সাজিদের সুসংবাদের জন্য। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে।