১০:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তানোরে কীটনাশক”সার”খাবার ওষুধ এক দোকানে বিক্রি ..?

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫৭:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৫
  • ৫৯৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজশাহীর তানোরে অনিয়ম ও নীতিমালা লঙ্ঘন করে মুদি দোকানে ভোগ্যপণ্য, কীটনাশক,সার,ওষুধ বিক্রি ও মানব দেহের চিকিৎসা করার মতো গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।উপজেলার বাধাইড় ইউনিয়নের(ইউপি)প্রত্যন্ত পল্লী শিবরামপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে।এনিয়ে গ্রামবাসির মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হলেও প্রভাবশালীর ভয়ে কেউ মুখ খুলছে না।
জানা গেছে,উপজেলার বাধাইড় ইউনিয়নের (ইউপি) শিবরামপুর গ্রামের মৃত আজাদের পুত্র জাহিদুল ইসলাম। তিনি কীটনাশক বিক্রির লাইসেন্স নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত একই দোকানে সার, কীটনাশক, ভোগ্যপণ্য, ওষুধ বিক্রি ও মানবদেহের চিকিৎসা করেছেন।এটা নীতিমালা লঙ্ঘন ও অবৈধ।
সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়, রেজিষ্ট্রার্ড চিকিৎসক ব্যতিত মানবদেহের চিকিৎসা,ডিলারের লাইসেন্স ব্যতিত 
সার ও ড্রাগ লাইসেন্স ব্যতিত ওষুধ বিক্রি রীতিমতো দন্ডনীয় অপরাধ।
অধিকাংশক্ষেত্রে চিকিৎসক পরিচয়ে জাহিদুলের দেয়া দেওয়া উচ্চমাত্রার এন্টিবায়োটিক সেবনে হিতে বিপরীত হচ্ছে। ফলে রোগ নিরাময়ের পরিবর্তে আরও জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন রোগীরা। এতে আর্থিক শারীরিক ও মানসিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন অনেক রোগী ও তাদের পরিবার। এবিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (টিএইচও) বার্নাবাস হাসদাক বলেন, এসব বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর নিয়ে খুব দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এবিষয়ে জাহিদুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যাইনি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার পথে ১ মানব পাচারকারীসহ ৪জন আটক

তানোরে কীটনাশক”সার”খাবার ওষুধ এক দোকানে বিক্রি ..?

আপডেট সময় : ০১:৫৭:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজশাহীর তানোরে অনিয়ম ও নীতিমালা লঙ্ঘন করে মুদি দোকানে ভোগ্যপণ্য, কীটনাশক,সার,ওষুধ বিক্রি ও মানব দেহের চিকিৎসা করার মতো গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।উপজেলার বাধাইড় ইউনিয়নের(ইউপি)প্রত্যন্ত পল্লী শিবরামপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে।এনিয়ে গ্রামবাসির মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হলেও প্রভাবশালীর ভয়ে কেউ মুখ খুলছে না।
জানা গেছে,উপজেলার বাধাইড় ইউনিয়নের (ইউপি) শিবরামপুর গ্রামের মৃত আজাদের পুত্র জাহিদুল ইসলাম। তিনি কীটনাশক বিক্রির লাইসেন্স নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত একই দোকানে সার, কীটনাশক, ভোগ্যপণ্য, ওষুধ বিক্রি ও মানবদেহের চিকিৎসা করেছেন।এটা নীতিমালা লঙ্ঘন ও অবৈধ।
সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়, রেজিষ্ট্রার্ড চিকিৎসক ব্যতিত মানবদেহের চিকিৎসা,ডিলারের লাইসেন্স ব্যতিত 
সার ও ড্রাগ লাইসেন্স ব্যতিত ওষুধ বিক্রি রীতিমতো দন্ডনীয় অপরাধ।
অধিকাংশক্ষেত্রে চিকিৎসক পরিচয়ে জাহিদুলের দেয়া দেওয়া উচ্চমাত্রার এন্টিবায়োটিক সেবনে হিতে বিপরীত হচ্ছে। ফলে রোগ নিরাময়ের পরিবর্তে আরও জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন রোগীরা। এতে আর্থিক শারীরিক ও মানসিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন অনেক রোগী ও তাদের পরিবার। এবিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (টিএইচও) বার্নাবাস হাসদাক বলেন, এসব বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর নিয়ে খুব দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এবিষয়ে জাহিদুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যাইনি।